আসুন ঘর রাখি শয়তান মুক্ত ….

ফিনল্যাণ্ড এর বড় ইমাম এবং হেলসিনকি মাল্টি কালচারাল দাওয়া সেন্টারের শেইখ মোহাম্মদ শরীফ

ফিনল্যাণ্ড এর বড় ইমাম এবং হেলসিনকি মাল্টি কালচারাল দাওয়া সেন্টারের শেইখ মোহাম্মদ শরীফ

যে ঘরের দরজা শয়তানের জন্য খোলা রাখা হয়েছে, সে ঘরে শয়তান ঢুকে সর্বনাশ করে ফেলবে।যে ঘরের চারি দেয়াল ছবি (পরিবারের ছবি অথবা হলিউড, বলিউড এর ছবি – যে কোন ছবি) দারা মোজাইক করে রাখা হয়েছে, সে ঘরে কোন রহমতের ফেরেস্তা প্রবেশ করবে না। কথা হচ্ছিল ফিনল্যাণ্ড এর বড় ইমাম এবং হেলসিনকি মাল্টি কালচারাল দাওয়া সেন্টারের শেইখ মোহাম্মদ শরীফ এর সঙ্গে। জিজ্ঞাসা করলাম ঘরে শোকেস-এ মূর্তি রাখার ব্যাপারে, তিনি বললেন ওটাতো আরো বিপজ্জনক।

যে ঘরে সুরাহ বাকারা বেশি বেশি করে পাঠ করা হয়, সেই ঘরে শয়তান থাকতে পারেনা। ঘরে নামাজ পড়ার ব্যাপারেও মুসলমান দের উপদেশ দেয়া হয়েছে। জাবির রাযিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ মসজিদে নামাজ সমাপ্ত করে সে যেন তার নামাযের কিছু অংশ তার বাড়িতে পড়ার জন্য ছেড়ে রাখে। কারন, আল্লাহ বাড়িতে নামায পড়ার মধ্যে অনেক কল্যান রেখেছেন’ [মুসলিম-৭৭৮, ১০০ সুসাব্যস্ত সুন্নত পৃঃ ১৯]জাবির রাযিআল্লাহু আনহু আরো বলেছেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, “কোন ব্যক্তি যখন নিজ বাড়িতে প্রবেশের সময় ও আহারের সময় আল্লাহ তা’য়ালাকে স্মরণ করে (অর্থাৎ বিসমিল্লাহ বলে) তখন শয়তান তার অনুচরদের বলে,’আজ না তোমরা এ ঘরে রাত্রি জাপন করতে পারবে, আর না খাবার পাবে।’ অন্যথায় যখন সে প্রবেশকালে আল্লাহ তা’য়ালাকে স্মরণ করে না (অর্থাৎ ‘বিসমিল্লাহ’ বলে না), তখন শয়তান বলে, ‘তোমরা রাত্রি জাপন করার স্থান পেলে।’ আর যখন আহার কালেও আল্লাহ তা’য়ালাকে স্মরণ করে না (অর্থাৎ ‘বিসমিল্লাহ’ বলে না), তখন সে তার চেলাদেরকে বলে, ‘তোমরা রাত্রিযাপন স্থল ও নৈশভোজ উভয়ই পেলে গেলে।” [মুসলিমঃ ২০১৮]আসুন আমরা এই সহজ সুন্নাহগুলো অনুসরণের মাধ্যমে এখন থেকে কখনও শয়তানকে আমাদের ঘরে আশ্রয় না দেই, আমাদের খাবার দিয়ে পুষ্ট না করি। আসুন ঘর রাখি শয়তান মুক্ত ….

Leave a comment